Jagdeep Dhankhar উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা জগদীপ ধনকড়ের, আচমকা কেন সিদ্ধান্ত? রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে পাঠালেন পদত্যাগপত্র।
উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা জগদীপ ধনকড়ের, আচমকা কেন সিদ্ধান্ত?
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে পাঠালেন পদত্যাগপত্র।
কালবেলা সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা জগদীপ ধনকড়ের। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে পাঠালেন পদত্যাগপত্র। শারীরিক অসুস্থতার জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল।
সোমবার দ্রৌপদীকে লেখা চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ মতো এবং শারীরিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সংবিধানের ৬৭(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমি দেশের উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। পাশাপাশি, তাঁকে সমর্থন এবং তাঁর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য তিনি রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সমস্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘মেয়াদকালে প্রধানমন্ত্রীর থেকে যে সহযোগীতা পেয়েছি এবং তিনি আমাকে যেভাবে সমর্থন করে গিয়েছেন, তা আজীবন মনে রাখব।‘
আরও পড়ুন:
উৎপাদনে কার্বন নির্গমনের তীব্রতা ৩৬ শতাংশ কমেছে, দাবি কেন্দ্রের
আটকে সর্বশিক্ষা মিশনের টাকা, এবার বাংলাকে বঞ্চনা কার্যত স্বীকার করল কেন্দ্র
১৯৫১ সালের ১৮ মে রাজস্থানের ঝুনঝুনুতে জন্ম ধনকড়ের। ছিলেন বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল। সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী ১৯৮৯ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত লোকসভার সদস্য ছিলেন। ২০২২ সালের আগস্ট মাসে তিনি উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। মাত্র ৩৪৬ ভোটে বিরোধী শিবিরের প্রার্থী মার্গারেট আলভাকে তিনি পরাজিত করেন। তবে বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। গত মার্চ মাসে ৭৩ বছরের ধনকড়কে বুকে ব্যথা নিয়ে দিল্লির এইমসে ভর্তি করানো হয়। শুধু তাই নয়, গত মাসে কুমায়ুন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে আচমকা অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে সংসদে বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনে তিনি রাজ্যসভার অধ্যক্ষের আসনে বসে কাজ করেছেন ধনকড়। কিন্তু রাতেই আচমকা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।